How to rank new or old website ?

There is no alternative to rank any type of website without SEO. Before starting the discussion one thing I want to say when you read any post read it completely and understand it well. And if you already know that, Remember no one is perfect, So if you know any new strategy, Share it in the comments box.
What is SEO?

The full meaning of SEO is search engine optimization. When a visitor writes something and searches in Google search, Google reviews some things from a bunch of websites and brings the right sites to the front. Google will also look at some other things such as website content, unique and relevant information, site structure, design, etc. Website visitors increase when a website is at the top of search results. As a result, the income increases.

 এস ই ও দুটি প্রক্রিয়ায় করা হয় -

  • অন পেজ এস ই ও - সার্চ ফ্রেন্ডলি অর্থাৎ - গুগল যে ধরনের আর্টিকেল পছন্দ করে
  • অফ পেজ এস ই ও - ভালো কিওয়ার্ড ব্যবহার এবং অন্য কোন ওয়েব সাইটের সাথে আপনার সাইটকে সংযুক্ত বা ব্যাকলিংক করা ।

অন পেজ এস ই ও

আমার যখন গুগোলে সার্চ করি তখন হাজার হাজার তথ্য (টপিক বা Niche) বা ভালো ভালো কনটেন্ট (content) সহজেই সামনে চলে আসে তাই এখনকার প্রতিযোগিতামূলক বাজারে যদি নিজেকে আপডেট না রাখতে পারেন তবে আমি মনেকরি আপনি যেই কাজই করেন না কেনো সফলতা পাবেন না । 

পুর্বে আমরা ব্লগের আর্টিকেলে কীওয়ার্ড এর প্রচুর ব্যবহার” করতাম তখন এটাকেই আমারা না জেনে বুঝে অন পেজ এস ই ও বলে চালিয়ে দিতাম গুগোল মামাও তখন এতটা স্মার্ট ছিলো না বলে কাজ হয়েও যেতো কিন্তু বর্তমানে যদি এই একই কাজ করেন তাহলে “Over keyword optimization” বা “keyword stuffing” ফাদে পড়ে যাবেন । Over keyword optimize করা আপনার আর্টিকেল গুলি গুগল সার্চে আর কোনো সময় দেখানো হবেনা । এবার বুঝুন নিজেকে আপডেট না রাখতে পারলে দু'দিন আগে গুগোল আপনাকে ছুরে ফেলে দিবে দু'দিন পরে সমাজ ।

অন পেজ SEO Optimization এর কাজ “এসইও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল” তৈরি করা । তবে ইন্টারনেট বা কারো কাছে অন পেজ এস ই ও কি এটা জানতে চাইলে ৮৫% বলবে আর্টিকেলের বিভিন্ন স্থানে টার্গেট করা কীওয়ার্ড (targeted keyword) ব্যবহার করে গুগলকে সিগন্যাল দেওয়া । আবারও বলছি আগে এই প্রক্রিয়া অবশই কাজ করতো কিন্তু এখন আর কাজ করবেনা ।

সঠিক নিয়মে কিভাবে  অন পেজ এসইও করা যায় ?

এসইও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল” লিখতে হবে -
একই কীওয়ার্ডটি বার বার ব্যবহার না করে, মুখ্য কীওয়ার্ড এর সাথে রিলেটেড (related) কিছু শব্দ বা বাক্য আর্টিকেলে ব্যবহার করি । অনেক সময় গুগোলে সার্চ করলে দেখা যায় People also ask এখান থেকে টাইটেল নিতে পারেন এগুলো প্রত্যেকটি কিওয়ার্ড ।
একটা উধাহরন দেখুন এই পোষ্ট এসইও সংক্রান্ত তাই এখানে কিওয়ার্ড হতে পারে  - এসইও কি”, “এসইও বাংলা টিউটোরিয়াল”, “অন পেজ এসইও কাকে বলে”, “এসইও কিভাবে করতে হয়”, “search engine optimization”, “এসইও টিপস”, “বাংলা এসইও কোর্স” এবং এভাবেই আরো অনেক আলাদা আলাদা কীওয়ার্ড ব্যবহার করা যেতে পারে । বুঝতে পেরেছেন না বুঝলে কমেন্ট বক্সটি আপনার জন্য খোলা আছে । কমেন্ট করুন প্রয়জনে আপনার পোষ্ট টাইটেল কমেন্টে দিতে পারেন কমেন্টের রিপ্লেতে কিওয়ার্ড দিয়ে দিবো ।

এভাবে নিজের ব্লগে লিখা আর্টিকেলে, “focused keyword” এর সাথে জড়িত কিছু “related keywords” গুলি ব্যবহার করলে, গুগল সার্চ ইঞ্জিন অনেক সহজে আপনার লিখা আর্টিকেলের বিষয়টি বা টপিকটি বুঝতে পারবে ।

Improve Website Loading Speed

যারা অনেকদিন ধরে কাজ করছে তাদের অনেকের কাছে শুনবেন Website Loading Speed কি ? দেখবেন বলতেই পারবে না । ধরে নিন আপনি কিছু গুগোলে সার্চ করলেন সার্চ রেজাল্ট থেকে কোনো একটি লিংকের ওপর ক্লিক করলেন দেখলেন এটা লোড (Load) হতে বা খুলতে অনেক সময় নিচ্ছে ? আপনি অপেক্ষা না করে হুট করে কেটে বেরিয়ে যাবেন সময়ের অনেক দাম । একইভাবে আপনার ওয়েবসাইটটি যদি এরকম স্লো লোডিং হয়  তবে অন্যকেউ কেটে বেরিয়ে যাবে । অন পেজ এসইও র অনেক জরুরি এবং গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে “Page Loading Speed” কে ধরা হয় । 

How to check the page load speed ?

স্লো ওয়েবসাইট গুগল কখনোই পছন্দ করেনা । ধরে নিলাম আপনার কনটেন্ট বা আর্টিকেল, গুগল সার্চ রেজাল্টে প্রথম পেজে দেখানো হয়, কিন্তু আপনার ওয়েবসাইট সম্পূর্ন খুলতে অনেক সময় লাগে এজন্য ৮০%  ভিজিটর বিরক্ত হয়ে আপনার ওয়েবসাইট ছেড়ে চলে যাবে ।  এটি হলে ওয়েবসাইট রাংকিং অসম্ভব ।

কিভাবে ওয়েবসাইটের পেজ লোডিং স্পিড দ্রুত করবেন ?

আপনার ওয়েসাইট স্পিড বাড়ানোর জন্য অনেক কিছু করতে হবে না শুরুতে ছোটো ছোটো কিছু কাজ জেনে বুঝে করতে হবে ।

 ব্লগের আর্টিকেলে ছবি (images) আপলোড করার আগেই, প্রত্যেকটি ছবি Compress করে নিতে পারেন । ছবি গুলির সাইজ ৫০kb বা একটু কমবেশি রাখার চেষ্টা করুন । প্রয়োজনে webP ফরম্যাটে কনভার্ট করে নিন  - https://webp-converter.com

Blogger দিয়ে ওয়েবসাইট বানালে একটা ভালো থিম ব্যবহার করবেন । এক্ষেত্রে jetthem ব্যবহার করে দেখতে পারেন । এনক্রিপটেড কোড আছে এমন থিম ব্যবহার না করাই ভালো সম্ভব হলে থিম কিনে ব্যবহার করুন ফ্রিতে ভালো কিছু পাওয়া যায় না । আমাদের কাস্টমাইজ করা jetthem ফুল ভার্সন নিতে পারেন (শর্ত প্রযোজ্য) । খুব বেশি জাভা স্ক্রিপ্ট কোড ব্যবহার করবেন না এবং সেইসাথে পর্যাপ্ত পরিমানে এ্যাড / বিজ্ঞাপন লাগাবেন ।

Wordpress দিয়ে ওয়েবসাইট বানালে ভালো কোনো সার্ভিস প্রভাইডার এর কাছা থেকে ডুমেইন - হোস্টিং কিনবেন, সম্ভব হলে International ভাবে প্রচলিত এমন সার্ভিস প্রভাইডারের থেকে নিন হতে পারে Hostinger, Namecheap ইত্যাদি । আপনার কাছে মাস্টার কার্ড না থাকলে আমাদের কাছ থেকে সার্ভিস নিতে পারেন (শর্ত প্রযোজ্য) । এটিতেও ভালো থিম ব্যবহার করবেন যেমনঃ “wpastra“, “generatepress” বা “genesis framework” থিম গুলি ব্যবহার করতে পারেন । এগুলি ওয়ার্ডপ্রেসের সব থেকে দ্রুত এবং সেরা থিম হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।

এছাড়াও ওয়েবসাইট ফাস্ট রাখার জন্য যেকোনো একটি প্লাগিন অবশই ব্যবহার করবেন যেমনঃ  “WP Fastest Cache”, “WP Rocket”, “WP Super Cache”, “W3 Total Cache” বা “WP-Optimize” । আমি WP-Optimize ব্যবহার করেছি বেশ ভালো , আপনি আপনার সুবিধামত একটি ব্যবহার করবেন ।

Use Internal Link

এই পোষ্টের এই পর্যন্ত আসার সময় কিছু লিংক (links) অবশই দেখেছেন । এভাবে, নিজের ব্লগে আর্টিকেল লিখার সময়, আপনার আর্টিকেলের বিষয় বা কীওয়ার্ড এর সাথে জড়িত অন্যান্য আর্টিকেলের লিংক (link) দিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়াকে বলা হয় “internal linking of articles“. এবং ব্লগের আর্টিকেলে এই ধরণের লিংক গুলিকে বলা হয় “ইন্টারনাল লিংক” (internal links)

আপনাকে একটা কথা মনে রাখতে হবে, কোনো ভিজিটর আপনার সাইটে এসে যেনো বেশ কিছু সময় অতিবাহিত করে এতে আপনার ব্লগের “Bounce Rate” কমে যাবে ।

Regularly Write And Post Articles

কাজের ধারাবাহিকতা না থাকলে এমনিতেই সাইটের রাংকিং হারাবে । আজ একটা পোষ্ট করলেন আবার দু মাস পরে ১০টি পোষ্ট করলেন এভাবে হবে না নিয়মিত কাজ করুন ।

Google সেই ব্লগ গুলিকে অনেক পছন্দ করে যেগুলিতে রেগুলার ভালো ভালো high quality articles পাবলিশ করা হয়। তাই, চেষ্টা রাখবেন যাতে আপনি আপনার ব্লগে সপ্তায় কমেও ৩ টি করে ভালো ভালো আর্টিকেল পাবলিশ করছেন। 

on page seo করার উদ্দেশ্য একটাই, নিজের ব্লগের আর্টিকেল গুলিকে গুগল (Google) বা অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিন গুলির জন্য ভালো করে অপটিমাইজ করা। এবং যার ফলে, গুগল সার্চ ইঞ্জিন থেকে অধিক পরিমানে ট্রাফিক বা ভিসিটর্স পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই, যদি আপনি একজন ব্লগার হন, তাহলে এই বিষয়টি নিয়ে অবশই ধ্যান দিবেন। নাহলে, গুগল থেকে traffic পাওয়াটা কিন্তু আপনার জন্য অনেক কঠিন হয়ে দাঁড়াবে। 

Readable Actual Content

মনে রাখবেন, ভিজিটর পাওয়ার লোভে লোভনীয় টাইটেল দিলেন কিন্তু পোষ্টে তেমন কোনো তথ্য দিতে পারলেন না তাহলে ব্লগে আশা ভিজিটর কেবল কিছু সেকেন্ডের মধ্যেই ফিরে যাবে। ফলে, High Bounce Rate এর কুপ্রভাব আপনার ব্লগের ওপরে পড়বে এবং, এটা SEO র ক্ষেত্রে কিন্তু অনেক খারাপ। তাই, নিজের ব্লগে লিখা কনটেন্ট গুলি সহজ এবং সরল ভাবে লিখবেন যাতে এটা পড়লে অনেক সহজে বোঝা যায় ।

আর্টিকেলটি ছোট ছোট প্যারাগ্রাফ করে লিখবেন। এতে, ভিসিটর্স দেড় লেখা গুলি পড়তে অনেক সুবিধে হবে। আপনার আর্টিকেল গুলিতে কাজের এবং বিষয়ের সাথে জড়িত সম্পূর্ণ তথ্য দিবেন। যতটা বেশি সময় আপনার ভিসিটর্স গুলি আপনার লেখা আর্টিকেল পড়বেন, ততটাই high bounce rate এর পরিমান কমে আসবে এবং গুগল সার্চ ইঞ্জিনে আপনার আর্টিকেলের রাংকিং (ranking) ভালো হতে থাকবে । তাই, ব্লগে সব সময় এভাবে আর্টিকেল লিখবেন যাতে, ভিসিটর্স বা রিডার্স রা আপনার কনটেন্ট পড়ে অনেক রুচি পান এবং আপনার লেখা গুলি পড়তে তাদের কোনো অসুবিধে না হয়। 

Images SEO

আমরা ব্লগে বা ব্লগের আর্টিকেলে যে ছবি (Images) আপলোড করি সেগুলির ব্যাপারে গুগল নিজে নিজে বুঝতে পারেনা । তাই, আমাদের আর্টিকেলে ব্যবহার করা ছবিগুলির বিষয়ে গুগলকে বুঝিয়ে দেয়ার জন্য আমরা “alt tag” ব্যবহার করতে পারি। এতে সহজেই গুগল এবং অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিন গুলি বুঝতে পারে যে, ছবিটি কিসের বিষয়ের এবং ফলে google image search থেকেও ট্রাফিক পাওয়ার সুযোগ বেড়ে যায়। অন পেজ এসইও অপটিমাইজেশন এর ক্ষেত্রে, ছবিতে alt tag এর ব্যবহার করাটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। এবং, আমরা এই image alt tag/text গুলির জায়গায় নিজের targeted focused keyword গুলি ব্যবহার করে, কনটেন্টটি অধিক ভালো করে SEO optimize করতে পারি । 

Image SEO আরো একটা সঠিক উপায় বলে দেই এটা কেউ আপনাকে বলবে না । ইমেজ নেম রিনেম করে ইমেজের সাথে মিল রেখে একটা নাম দিয়ে দিবেন । ধরে নিলাম আপনি পোষ্টে একটা ইমেজ দিবেন এটা মোবাইলের সেরা অ্যাপস সংক্রান্ত তাহলে ইমেজটি রিনেম করে লিখতে পারেন - most+use+apps+for+smart+phone.jpg

এবার আপনার কাছেই প্রশ্ন ছুরে দেই , দুটি ইমেজ মোবাইলের সেরা অ্যাপস সংক্রান্ত  একটি ইমেজ এর নামের স্থানে - dcm445511.jpg এবং অন্য একটি most+use+apps+for+smart+phone.jpg এবার আপনি বলুন গুগোল কোনটি দেখাবে ।

Targeting Content

আর্টিকেলে টার্গেট করা focused keyword এর ব্যবহার আমি বলেছি যে, আর্টিকেলে টার্গেট করা কীওয়ার্ড (focused keyword) বার বার ব্যবহার করাটা অনেক খারাপ। তবে, আর্টিকেলের কিছু কিছু জায়গায় টার্গেট করা কীওয়ার্ড গুলি স্বাভাবিকভাবে (naturally) ব্যবহার করাটা কিন্তু অনেক লাভজনক। সবচে আগেই আর্টিকেলের টাইটেলে (title) ব্যবহার করতে হবে। তারপর, আর্টিকেলের Permalink url এ কীওয়ার্ডটি ব্যবহার করতে হবে। এবার, আর্টিকেলের প্রথম প্যারাগ্রাফে (paragraph) আপনার লক্ষ্যবস্ত কীওয়ার্ড বা বাক্যটি এক থেকে দুবার লিখতে হবে। এবং এর পর, আর্টিকেলে ব্যবহার করা H2, H3 এবং H4 TAG গুলির মধ্যে এক থেকে দুবার লক্ষ্যবস্ত কীওয়ার্ড এর ব্যবহার করাটা জরুরি। এভাবে, আপনার আর্টিকেলের কিছু বিশেষ জায়গায় focused keywords গুলি ব্যবহার করে, গুগল সার্চ ইঞ্জিনকে অনেক সহজে নিজের কন্টেন্টের বিষয়টি বুঝিয়ে দিতে পারবেন। এবং ফলে, আপনার কনটেন্ট গুলি অনেক ভালো ভাবে search engine এর জন্য optimize হয়ে যাবে।

অফ পেইজ অপটিমাইজেশন

Off Page SEO

অফ পেইজ অপটিমাইজেশনে ভিন্ন কিছু নেই , আমরা যারা ওয়েবসাইট তৈরি করি আমাদের লক্ষ্য তৈরিকৃত ওয়েবসাইট সাধারন ভিজিটরদের কাছে পৌঁছে দেওয়া । অফ পেইজ এস ই ও 'তে মূলত ওয়েবসাইটটিকে সামগ্রিক ভাবে অপটিমাইজেশন করা হয় । off page seo নিয়ে সম্পুর্ন আলোচনায় যাবার আগে একটু বলি - 

on page seo এবং off page seo এর মধ্যে পার্থক্য কি ?

উত্তরটা প্রশ্নের মধ্যেই আছে On Page SEO মানে পেজের মধ্যে অর্থাৎ আর্টিকেল বা ওয়েবসাইটের ভেতরে কোনো স্থানে লিখিত কিছু দিলে বা ছবি এবং ভিডিও কন্টেন্ট দিলে সেটা SEO নিয়ম মেনে পোষ্ট করতে হবে । অন্যদিকে Off Page SEO হলো ওয়েব পেজের বাইরে Optimize করা । হতে পারে সেটা ওয়েব টেমপ্লেট বা থিমের মধ্যে, সার্চ কন্সোলে, মার্কেটিং করে, পোষ্ট সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করে ইত্যাদি ।

বুঝতে পেরেছেন, বুঝতে সমস্যা হলে কমেন্ট বক্সে কমেন্ট করবেন । সবকিছু সহজভাবে বোঝানোর চেষ্টা করবো । এবার আসুন Off Page SEO এর জন্য কি কি কাজ করা হয়ে থাকে -

Optimize With Google

Google Webmaster

  • https://search.google.com/search-console সঠিক নিয়ম মেনে এখানে সংযুক্ত হবেন । অনেকে ভুল উপায়ে বা ভুল পদ্ধতিতে এই ধরনের সেন্সিটিভ কাজ ভুল করে করেন । মনে রাখবেন যেহেতু গুগোল সার্চে র‍্যাংক করানোর জন্য এত আয়োজন তাই গুগোল সার্চ কনসোলে কোনো ভুল প্রক্রিয়ায় নিজের ওয়েবসাইটকে অন্তভুক্ত করাবেন না । কিভাবে করবেন এই ওয়েবসাইটেই আছে খুজে নিন ।

Google Analytics

  • এখানেও নতুন করে বলাই কিছু নেই সঠিক উপায়ে গুগোল এ্যানালাইটিক্স এ নিজের ওয়েসাইট অপ্টিমাইজ করে নিন । https://analytics.google.com/analytics কিভাবে করবেন এই ওয়েবসাইটেই আছে খুজে নিন ।

Google tagmanager

  • https://tagmanager.google.com মুলত এগুলো সব একে অপরের সাথে Associated. এটি কিভাবে করবেন সেটাও এই ওয়েবসাইটেই পাবেন । এগুলোর প্রত্যেকটি কিভাবে করবেন সেটা দেখানোর জন্য সম্পুর্ন একটা পোষ্ট তৈরি করে দেখাতে হবে তাই এখানে দেওয়া সম্ভব না ।

Link Building:

  • Guest Blogging: আপনার ওয়েবসাইটের পোষ্টের ভিত্তিতে অন্যকোনো সাইটে গেস্ট পোস্ট করুন এবং সবশেষে আপনার  ওয়েবসাইটের  লিংক দিয়ে দিন , লিংকে ক্লিক করলেই আপনার ওয়েবসাইটে ফিরে আসবে ।
  • Broken Link Building: লক্ষ্য করে দেখবেন কিছু কিছু লিংকে ভিজিট করলে 404 Error বা Post not found বা কিছুই দেখায় না মুলত ঐ লিংকে কোনো পোষ্ট ছিলো কিন্তু সেটা ডিলেট করা হয়েছে তাই এমন দেখায় । এগুলোই ব্রোকেন লিংক হিসেবে পরিচিত এগুলো SEO র‍্যাংকিং ডাউন করে দেয় । তাই আপনার ওয়েবসাইটে এই ধরনের লিংক থাকলে সেটা ঐ রিলেটেড কোনো পোষ্টের সাথে রিডিরেক্ট করে দিতে পারেন । এই পোষ্টের একদম শেষে দেওয়া আছে কিভাবে ব্রোকেন লিংক ঠিক করবেন !
  • Resource Link Building: নিজের আর্টিকেল হলেও কোনো তথ্য অতিরিক্ত দেখাতে চাইলে অন্য ওয়েবসাইটের লিংক দিয়ে দিন ।

Social Media Engagement:

  • আপনার লেখা পোষ্ট আপনার Active Profiles এর মাধ্যমে Major Platforms যেমনঃ (Facebook, Twitter, LinkedIn, Instagram) এই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে শেয়ার করবেন । তবে লক্ষ্য রাখবেন একই ইউজার আইডি দিয়ে বেশি পরিমানে শেয়ার করলে আপনার ওয়েবসাইট ব্লক হয়ে যেতে পারে ।
  • এজন্য অন্যদেরকে আপনার পোষ্ট শেয়ারে অনুপেরনা দিন ।
  • আপনার পোষ্টে কমেন্ট করতে বলুন এটাও ওয়েবসাইট র‍্যাংকিং এ সহায়তা করে ।

Influencer Outreach:

  • জনপ্রিয় কোনো ইউটিউবার বা আপনার নিজস্ব ইউটিউব সেখানে শেয়ার করতে পারেন পারেন । তবে এক্ষেত্রে আপনার গোপনীয়তা নষ্ট হয়ে যাবে ।

Social Bookmarking:

  • আন্তর্জাতিক ভাবে বিখ্যাত Social Bookmarking Sites যেমনঃ Reddit, Digg, and StumbleUpon. ইত্যাদি । এরকম অনেক সাইট আছে গুগোলে সার্চ করলেই পাবেন এই সকল সাইটে আপনার ওয়েবসাইটের পোষ্ট নিয়মিত ভাবে বুকমার্ক করে ফেলুন ।

Local SEO:

  • আপনার ওয়েবসাইটের নামে অ্যাকাউন্ট তৈরি করুন এবং আপনার ওয়েবসাইটকে  (Google My Business, Yelp, Yellow Pages). এই সকল local listings and directories এ সংযুক্ত করে দিন । এটি আপনার ব্যবসায়ের অস্তিত্ব বানাতে সাহায্য করবে ।

Content Marketing:

  • ফেয়ার এ্যান্ড লাভলি ক্রিম , লাক্স সাবান এগুলো এমনিতেই বিক্রি হয় তাহলে কেনো এগুলোর বিজ্ঞাপন দেওয়া হয় ভেবে দেখেছেন । আপনি কত বড় জনপ্রিয় এতে কিছু যায়আসে না একদিন কর্ম বিরতি দিবেন সবাই আপনাকে ভুলতে শুরু করবে । তাই কন্টেন্ট ভালো হতে হবে এবং নিয়মিত প্রচারও করতে হবে ।

Forum and Blog Engagement:

  • Participate in forums and blogs related to your industry.
  • Contribute valuable insights and include links to your site when relevant (avoid spammy practices).
Q&A Sites:
  • Provide helpful answers on sites like Quora or Yahoo Answers.
  • Include a link to relevant content on your site if it provides additional value.
Measure and Analyze:
  • Use tools like Google Analytics to track referral traffic from off-page activities.
  • Monitor changes in search rankings and adjust your strategy based on performance.

How to fix broken link ?



Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url