রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর  উপাধি: বিশ্বকবি ”
উপাধি দিয়েছিলেন: পন্ডিত রোমান ক্যাথলিক ব্রহ্মবান্ধব উপাধ্যায়।
 
দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর  উপাধি:মহর্ষি”
উপাধি দিয়েছিলেন:  ব্রাহ্ম সমাজ।
মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর( ১৫ মে ,১৮১৭ – ১৯ জানুয়ারি, ১৯০৫)ছিলেন একজন ব্রাহ্মধর্ম প্রচারক ও দার্শনিক। ১৮১৭ সালের ১৫ মে কলকাতার জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর এবং মাতা দিগম্বরী দেবী। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার কনিষ্ঠ পুত্র।
দীনেশ চন্দ্র সেন  উপাধি: রায় বাহাদুর ”
উপাধি দিয়েছিলেন:  ভারত সরকার।
দীনেশচন্দ্র সেন ১৮৬৬ সালের ৩ নভেম্বর মানিকগঞ্জ জেলার বগজুরি গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত বৈদ্যব্রাহ্মণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পৈতৃক নিবাস ঢাকা জেলার সুয়াপুর গ্রামে। পিতা ঈশ্বরচন্দ্র সেন মানিকগঞ্জ আদালতের উকিল ছিলেন। মাতা রূপলতা দেবী। কবি ও সাংবাদিক সমর সেন তার পৌত্র।
বিহারীলাল চক্রবর্তীউপাধি : ভোরের পাখি ”
উপাধি দিয়েছিলেন: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
বিহারীলাল চক্রবর্তী ২১ মে, ১৮৩৫ তারিখে কলকাতার নিমতলায় জন্মগ্রহণ করেন। তার রচনাবলীর মধ্যে স্বপ্নদর্শন, সঙ্গীত শতক (১৮৬২), বঙ্গসুন্দরী (১৮৭০), নিসর্গসন্দর্শন (১৮৭০), বন্ধুবিয়োগ (১৮৭০), প্রেম প্রবাহিনী (১৮৭০), সারদামঙ্গল (১৮৭৯), মায়াদেবী, ধুমকেতু, দেবরাণী, বাউলবিংশতি, সাধের আসন প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য। 
◼️ পূর্ণিমা, সাহিত্য সংক্রান্তি, অবোধবন্ধু ইত্যাদি তার সম্পাদিত পত্রিকা। সাহিত্য পত্রিকার সম্পাদক হিসেবেও তিনি যোগ্যতার পরিচয় দিয়েছেন।
◼️ সারদামঙ্গল কবি বিহারীলাল চক্রবর্তীর শ্রেষ্ঠ কাব্য।  মূলত গীতিকবিতাধর্মী কাব্য এটি। 
◼️ বিহারীলালের লেখা কবিতার চারটি চরণ খুবই বিখ্যাতঃ
সর্বদাই হু হু করে মন,
বিশ্ব যেন মরুর মতন।
চারি দিকে ঝালাফালা।
উঃ কী জ্বলন্ত জ্বালা,
অগ্নিকুণ্ডে পতঙ্গপতন।
◼️ তার প্রথম স্বার্থক গীতিকাব্য বঙ্গসুন্দরী (১৮৭০)।
রাম মোহন রায়উপাধি: রাজা ”
উপাধি দিয়েছিলেন: দ্বিতীয় আকবর (মোঘল বাদশা) 
 
কাজী নজরুল ইসলামউপাধি: বিদ্রোহী কবি 
উপাধি দিয়েছিলেন:  পরিচিতজনরা। (উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা)
◼️ ১৮৯৯ খ্রিষ্টাব্দের ২৪ মে (জ্যৈষ্ঠ ১১, ১৩০৬ বঙ্গাব্দ) ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার আসানসোল মহকুমার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন কাজী নজরুল ইসলাম।
◼️ কাজী ফকির আহমদের দ্বিতীয় স্ত্রী জাহেদা খাতুনের ষষ্ঠ সন্তান তিনি। তার বাবা ফকির আহমদ ছিলেন স্থানীয় মসজিদের ইমাম এবং মাযারের খাদেম। 
◼️ কাজী নজরুল ইসলামের ডাক নাম ছিল "দুখু মিয়া"। 
কবিতা: অগ্নিবীণা (১৯২২) সঞ্চিতা (১৯২৫) ফনীমনসা (১৯২৭) চক্রবাক (১৯২৯) সাতভাই চম্পা (১৯৩৩) নির্ঝর (১৯৩৯) নতুন চাঁদ (১৯৩৯) মরুভাস্কর (১৯৫১) সঞ্চয়ন (১৯৫৫) নজরুল ইসলাম ইসলামী কবিতা (১৯৮২)
  • কবিতা ও সংগীত: দোলন-চাঁপা (১৯২৩) বিষের বাঁশি (১৯২৪) ভাঙ্গার গান (১৯২৪) ছায়ানট (১৯২৫) চিত্তনামা (১৯২৫) সাম্যবাদী (১৯২৬) পুবের হাওয়া (১৯২৬) সর্বহারা (১৯২৬) সিন্ধু হিন্দোল (১৯২৭) জিঞ্জীর (১৯২৮) প্রলয় শিখা (১৯৩০) শেষ সওগাত (১৯৫৮)
  • সংগীত: বুলবুল (১৯২৮) সন্ধ্যা (১৯২৯) চোখের চাতক (১৯২৯) নজরুল গীতিকা (১৯৩০) নজরুল স্বরলিপি (১৯৩১) চন্দ্রবিন্দু (১৯৩১) সুরসাকী (১৯৩২) বনগীতি (১৯৩১) জুলফিকার (১৯৩১) গুল বাগিচা (১৯৩৩) গীতি শতদল (১৯৩৪) সুর মুকুর (১৯৩৪) গানের মালা (১৯৩৪) স্বরলিপি (১৯৪৯) বুলবুল দ্বিতীয় ভাগ (১৯৫২) রাঙ্গা জবা (১৯৬৬)
  • ছোট গল্প: ব্যথার দান (১৯২২) রিক্তের বেদন (১৯২৫) শিউলি মালা (১৯৩১)
  • উপন্যাস: বাঁধন হারা (১৯২৭) মৃত্যুক্ষুধা (১৯৩০) কুহেলিকা (১৯৩১)
  • নাটক: ঝিলিমিলি (১৯৩০) আলেয়া (১৯৩১) পুতুলের বিয়ে (১৯৩৩) মধুমালা (১৯৬০) ঝড় (১৯৬০) পিলে পটকা পুতুলের বিয়ে (১৯৬৪)
  • প্রবন্ধ এবং নিবন্ধ: যুগবানী (১৯২৬) ঝিঙ্গে ফুল (১৯২৬) দুর্দিনের যাত্রী (১৯২৬) রুদ্র মঙ্গল (১৯২৭) ধূমকেতু (১৯৬১)
  • অনুবাদ এবং বিবিধ: রাজবন্দীর জবানবন্দী (১৯২৩) দিওয়ানে হাফিজ (১৯৩০) কাব্যে আমপারা (১৯৩৩) মক্তব সাহিত্য (১৯৩৫) রুবাইয়াৎ-ই-ওমর খৈয়াম (১৯৫৮) নজরুল রচনাবলী ১-৪ খন্ড (১৯৯৩)
  • পরিচালিত চলচ্চিত্র: ধূপছায়া বিদ্যাপতি(১৯৩৭) - কাহিনীকার সাপুড়ে (১৯৩৯) - কাহিনীকার
  • সঙ্গীত পরিচালনা ও গীতিকার: জামাই ষষ্ঠী (১৯৩১) পাতালপুরী (১৯৩৫) গৃহদাহ (১৯৩৬) গ্রহেরফের (১৯৩৭) বিদ্যাপতি(১৯৩৭) গোরা (১৯৩৮) হাল বাংলা (১৯৩৮) সাপুড়ে (১৯৩৯) রজতজয়ন্তী (১৯৩৯) নন্দিনী (১৯৪১) অভিনয় (১৯৪১) দিকশূল (১৯৪১) মদিনা (১৯৪১) চৌরঙ্গী (১৯৪২) দিলরুবা (১৯৪২)
চিত্তরঞ্জন দাশ উপাধি: দেশবন্ধু”
উপাধি দিয়েছিলেন: বাংলার জনসাধারণ।
 
জীবনানন্দ দাশউপাধি: নির্জনতার কবি
উপাধি দিয়েছিলেন: বুদ্ধদেব বসু।
 
ফয়জুন্নেসা উপাধি: নওয়াব
উপাধি দিয়েছিলেন:  ব্রিটিশ সরকার।
 
প্যারীচাঁদ মিত্র উপাধি: ডিফেন্স অব বেঙ্গল”
উপাধি দিয়েছিলেন:পাদ্রি লঙ।
 
মুকুন্দরাম চক্রবর্তী উপাধি: কবিকঙ্কন”
উপাধি দিয়েছিলেন: জমিদার রঘুনাথ রায়।
 
ভারত চন্দ্রকে “ রায়গুণাকর ” উপাধি কে দিয়েছিলেন? 
উত্তর: নবদ্বীপের রাজা কৃষ্ণচন্দ্র।
 
আব্দুল করিমকে “ সাহিত্য বিশারদ ” উপাধি কে দিয়েছিলেন?
উত্তর: চট্টল ধর্মমন্ডলী (১৯০৯) 
 
আব্দুল করিমকে “ সাহিত্য সাগর ” উপাধি কে দিয়েছিলেন?
উত্তর: নদীয়ার সাহিত্য সভা (১৯২০) 
 
গোলাম মোস্তফাকে “ কাব্য সুধাকর ” উপাধি দিয়েছিলেন কে?
উত্তর: যশোর সাহিত্য পরিষদ।
 
মালাধর বসুকে “ গুণরাজ খান ” উপাধি কে দিয়েছিলেন?
উত্তর: শামসুদ্দীন ইউসুফ শাহ্।
 
সুফিয়া কামালকে “ জননী সাহসিকা ” উপাধি দিয়েছিলেন কে?
উত্তর: বাংলার মানুষ
 
ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তকে “ খাঁটি বাঙ্গালী” উপাধি দিয়েছিলেন কে?
উত্তর: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।

গোবিন্দ দাসকে “ দ্বিতীয় বিদ্যাপতি ” উপাধি দিয়েছিলেন কে?
উত্তর: বৈষ্ণব পদকর্তা বল্লভ দাস ।
 
ঈশ্বরচন্দ্রকে “ বিদ্যাসাগর” উপাধি দিয়েছিলেন কে?
উত্তর: সংস্কৃত কলেজ।
 
শেখ মুজিবুর রহমানকে “ বঙ্গবন্ধু ” উপাধি দিয়েছিলেন কে?
উত্তর: তোফায়েল আহমেদ।