Office Assistant-cum-Computer Operator
Office Assistant cum Computer Typist
BSBCCL Office Assistant cum Computer Operator exam syllabus and exam pattern
DAE Office Assistant Cum Computer Typist Practical Test
DCH Office Assistant Cum computer Operator Exam
Department of Agricultural Extension DAE - Office Assistant Cum computer Operator Exam
Office assistant computer operator exam question
★ অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে নিয়োগ পেতে চান ?
প্রথমে একটা কথা বলে দেই, সাধারণত এই পোষ্ট এর জন্য কোনো সুপারিশ কাজে লাগে না । আপনি যদি কম্পিউটার ব্যবহার করতে না পারেন তবে অফিসের কাজ কিভাবে করবেন । তাই যারা প্রিলিতে টিকবেন তারা যদি কম্পিউটারের ব্যবহার একটু ভালো পারেন তাহলেই চাকরি হয়ে যাবে ।

সারা বছরই এই পদে লোকবল নিয়োগের জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বিজ্ঞপ্তি দিয়ে থাকে। বাংলাদেশের প্রায় সব অফিসে এই পদের জন্য লোকবলের প্রয়োজন হয়। ফলে এই নিয়োগ পরীক্ষায় ব্যাপক প্রতিযোগিতা হয়ে থাকে; কিন্তু বেশির ভাগ প্রার্থীরই এই পদের জন্য বাড়তি প্রস্তুতি থাকে না। ফলে অনেকেই অকৃতকার্য হন। তবে সুপরিকল্পিত প্রস্তুতি নিলে এই পদে চাকরি পাওয়া তুলনামূলক 
সহজ ।
শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ এই পদে আবেদনের জন্য সাধারণত ন্যূনতম এইচএসসি বা সমমানের পাস হতে হয়। তবে উচ্চমান সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর পদে শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক ডিগ্রিও চেয়ে থাকে।

পরীক্ষা পদ্ধতিঃ
☑️ প্রিলিমিনারি বা এমসিকিউ পরীক্ষাঃ
৮০ থেকে ১০০ নম্বরের এমসিকিউ পদ্ধতিতে প্রিলিমিনারি পরীক্ষা নিয়ে থাকে। অনেকেই প্রশ্ন করতে  পারেন ৮০ নম্বরের হয় না ১০০ নম্বরের হয় । এটা নির্ভর করে প্রতিষ্ঠানের ওপর ।

☑️ প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে কম্পিউটারের ব্যাবহারিক দক্ষতা প্রমাণের জন্য ব্যাবহারিক পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হবে । এখানেই আপনাকে বাজিমাত করতে হবে । মনে রাখবেন ব্যাবহারিক পরীক্ষা যার ভালো হবে না তার মৌখিক যতই ভালো হোক না কেনো চাকরি না হবার সম্ভাবনাই বেশি ।  তাই চেষ্টা করতে হবে যাতে ব্যাবহারিক পরীক্ষা খুব ভালো হয় ।

☑️ কম্পিউটারের ব্যাবহারিক দক্ষতায় উত্তীর্ণ হলেই মৌখিক পরীক্ষা বা ভাইভা বোর্ডের মুখোমুখি হতে হবে । এই ধরনের চাকরির জন্য সাধারণত ভাইবাতে বাংলাতেই প্রশ্ন করা হয় তবে ব্যসিক কিছু ইংরেজি জেনে যেতে হবে । যেমনঃ নিজের সম্পর্কে বলুন, ইংরেজিতে বলতে বলা হতে পারে ।



পরীক্ষার প্রস্তুতিঃ অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর, কম্পিউটার অপারেটর, উচ্চমান সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর পদের পরীক্ষার প্রস্তুতি দুই ধরনের নেওয়ার দরকার হয়। প্রথমত, প্রিলিমিনারি প্রস্তুতির জন্য বাংলা, ইংরেজি, গণিত, সাধারণ জ্ঞান, কম্পিউটারের তাত্ত্বিক বিষয়, যা অন্যান্য সরকারি চাকরির পরীক্ষার প্রস্তুতির মতোই।
দ্বিতীয়ত, ব্যাবহারিক পরীক্ষার জন্য কম্পিউটারের ব্যাবহারিক দক্ষতা অর্জন করতে হয়। এ দুই ধরনের প্রস্তুতির কোনোটিতে ঘাটতি থাকলে চাকরি পাওয়া সম্ভব হয় না।

☑️ প্রিলিমিনারি প্রস্তুতিঃ
প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় সাধারণত বাংলা, ইংরেজি, গণিত, সাধারণ জ্ঞান ও কম্পিউটার বিষয়ের ওপর প্রশ্ন হয়ে থাকে ।
কিভাবে প্রস্তুতি নিতে হিবে ?
অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অথবা কম্পিউটার অপারেটর পদের বিগত বছরের পরীক্ষার প্রশ্নপত্র সংগ্রহ করে সেগুলো বুঝে বুঝে সমাধান করতে হবে। তারপর প্রশ্নগুলো দেখে বিশ্লেষণ করতে হবে পরীক্ষায় কোন ধরনের প্রশ্ন বেশি আসে, কোন টপিক থেকে প্রতিবছরই প্রশ্ন এসে থাকে। এগুলো বিশ্লেষণ করে খাতায় টপিকভিত্তিক গুরুত্ব অনুসারে সাজানো যেতে পারে। এভাবে নিজের সাজেশন নিজেই করে নিতে পারেন।

প্রিলিমিনারি পরীক্ষার প্রস্তুতির সহায়ক বইগুলো সংগ্রহ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর পদের জন্য বাজার থেকে আলাদা কোনো গাইড বই কেনার প্রয়োজন নেই। বিসিএস বা অন্যান্য চাকরির বইগুলো থেকেই বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতি নেওয়া সম্ভব।

✥ ইংরেজিঃ
✓Appropriate Prepositions✓Group Verbs ★★★
✓Proverb
✓Bangla To English Translation ★★★
✓Tense Related ★★★
✓Article ★★★
✓Right Form Of Verb ★★★
✓Synonyms and Antonyms ★★★
✓Idioms and Phrases
✓One-word substitution
✓Spelling mistake ★★★



গণিতঃ গণিতে খুবই মনযোগী ও পাকা হতে হবে । বিগত প্রশ্নগুলোতে দেখা যায় নির্দিষ্ট কিছু অধ্যায়ের গণিত প্রশ্নপত্রে আসে ।  ৪র্থ থেকে ৯ম শ্রেণিত গনিত বই সংগ্রহে রাখবেন । এটা সকল চাকুরির জন্য জরুরি । আপনি নিজেও জানেন যেকোনো চাকরিসহ সরকারি চাকরি পেতে ইংরেজি ও গণিতের গুরুত্ব অপরিসীম। এক্ষেত্রে পঞ্চম থেকে দশম শ্রেণির গণিত বইগুলো বুঝে বুঝে সমাধান করতে পারলে গণিতের ভিত্তি মজবুত হবে। তারপর বাজারের যেকোনো গাইড বই থেকে প্রস্তুতি নেওয়া যেতে পারে।
পাটি গণিত :
✓লাভ-ক্ষতি ★★★
✓সুদ-কষা ★★★
✓পিতা-পুত্র ★★★
✓মাতা-কণ্যা ★★★
✓অনুপাত
✓ঐকিক নিয়ম ★★★
✓সংখ্যার ধারণা
✓ল.সা.গু, গ.সা.গু.
✓ভগ্নাংশ
✓গড় ★★★
✓সময়+গতিবেগ ★★★
✓দূরত্ব
✓ধারা ও
✓মানসিক দক্ষতা ★★★
এই অধ্যায় গুলো ভালো করে শিখতে হবে ।

বীজ গণিত:
✓বীজগাণিতীয় রাশি (যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ)
✓সূত্রের প্রয়োগ ও সূত্রাবলীর প্রমাণ ★★★
✓সরল সমীকরণ
✓উৎপাদকে বিশ্লেষণ ★★★
✓মান নির্ণয় ★★★
এই অধ্যায় গুলো ভালো করে শিখতে হবে ।

জ্যামিতি:
✓ত্রিভুজ ★★★
✓চতুর্ভুজ
✓রম্বস ★★★
✓সামন্তরিক ★★★
✓বৃত্ত ও জ্যামিতি
এই অধ্যায় গুলো ভালো করে শিখতে হবে ।

বাংলাঃ বাংলা ব্যাকরণ এর জন্য
অধ্যাপক নিরঞ্জন অধিকারী স্যারের 'উচ্চতর বাংলা ব্যাকরণ ও রচনা'
অথবা আধুনিক বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি
বা, মাহবুবুল হক স্যারের বাংলা ব্যাকরণ
এই বইয়ের ব্যাকরণ অংশটা কয়েকবার ভালো ভাবে পড়বেন
৮ম ও ৯ম শ্রেণির ব্যাকরণ বোর্ড বইটা দেখতে হবে । বিশেষ করে সমাস, সন্ধি, কারক ও বিভক্তি, এক কথায় প্রকাশ, সমার্থক শব্দ এই গুলো থেকে প্রশ্ন আসবেই।  বোর্ডে যে যে প্রশ্ন ব্যাকরণ থেকে এসেছে সেই গুলো পড়বেন সাথে বিভিন্ন ভার্সিটির ব্যাকরণ অংশের সমাধান দেওয়া থাকে সেগুলোও পড়বেন ।
ভালো প্রস্তুতির জন্যঃ  ধ্বনিতত্ত্ব, শব্দ গঠন ও প্রকরণ, পুরুষ, অনুসর্গ, উপসর্গ, বাক্য প্রকরণ ও রূপান্তর, ক্রিয়ার কাল, পদ, ধাতু, বিরাম চিহ্ন, বাচ্য ও বচন এগুলো পড়তে হবে । এই গুলোর বাহিরে বাংলা ব্যাকরণ থেকে খুব একটা প্রশ্ন আসবে না । এই অংশ ভালো ভাবে পড়লে বাংলা থেকে ভালো মার্ক পাওয়া যাবে ।  
বাংলায় ব্যাকরণ ও সাহিত্য থেকে প্রশ্ন এসে থাকে। ব্যাকরণ অংশের প্রস্তুতির জন্য নবম-দশম শ্রেণির বোর্ড ব্যাকরণ বই ও ড. হায়াৎ মামুদের লেখা ভাষা শিক্ষা বই পড়া যেতে পারে। আর সাহিত্য অংশের প্রস্তুতির জন্য বাজারের প্রচলিত ভালো মানের একটি গাইড বই যথেষ্ট।

সাধারণ জ্ঞানঃ সাধারণ জ্ঞানের জন্য ভালো একটা বই সংগ্রহ করতে হবে । আজকের বিশ্ব, নতুন বিশ্ব, জ্ঞান সিন্ধু, মেডি জ্ঞান কোষ এগুলোর যে কোন বই কিনে নিবেন সাথে প্রতি মাসের কারেন্ট ওয়ার্ল্ড ও দেশ বিদেশের সাম্প্রতিক তথ্যগুলো জানা থাকতে হবে । দেশের মুদ্রা ও রাজধানী, প্রণালী, দেশ-বিদেশের নদী, খাল, বিখ্যাত স্থান, স্থাপনা, বৃহত্তম, ক্ষুদ্রতম, বন্দর, জলপ্রপাত, ঐতিহাসিক স্থান, ইতিহাস জড়িত ঘটনাবলী, আবিষ্কার, পুরুস্কার, বিখ্যাত ব্যাক্তিদের কর্ম, অবদান, ও তাদের জীবনের সাথে জড়িয়ে থাকা সাল এসব থেকেই প্রশ্ন আসে ।

কম্পিউটারঃ বিগত সরকারি ও বেসরকারি চাকরির পরীক্ষায় যেগুলো এসেছে ওগুলো ভালো করে পড়ুন । কমন পেয়ে যাবেন । এক্ষেত্রে ব্যাংক, বিসিএসসহ বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় আসা বিগত সালের প্রশ্নগুলো বেশি বেশি চর্চা করা যেতে পারে।

পরীক্ষার আগে বেশি বেশি মডেল টেস্ট দেওয়ার চেষ্টা করুন। মডেল টেস্ট দেওয়ার সুবিধা হলো পরীক্ষার হলের জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত হয়ে যাবে। এ ছাড়া সময় ব্যবস্থাপনাও আয়ত্তে চলে আসবে।

☑️ ব্যবহারিক পরীক্ষার প্রস্তুতিঃ  কম্পিউটারের মাইক্রোসফট ওয়ার্ড, মাইক্রোসফট এক্সেল, পাওয়ারপয়েন্ট, ডাটা এন্ট্রি, ইন্টারনেট ব্রাউজিং, ই-মেইলিং ও টাইপিংয়ে প্রতি মিনিটে ২০-৩০ শব্দ লেখার যোগ্যতার প্রয়োজন হয়, যা ব্যাবহারিক পরীক্ষার সময় যাচাই করা হয়ে থাকে।
কম্পিউটারের ব্যাবহারিক দক্ষতা রাতারাতি অর্জন হয় না । এই দক্ষতা অর্জনে আপনার দীর্ঘ সময় কম্পিউটারের ব্যাবহার করতে হবে। আপনার বাসায় যদি কম্পিউটার বা ল্যাপটপ থাকে, আর যদি ইন্টারনেট সংযোগ থাকে তাহলে খুব সহজেই আপনি এ দক্ষতাগুলো অর্জন করতে পারবেন। টাইপিংয়ে গতি বাড়ানোর জন্য আপনাকে নিয়মিত প্রচুর টাইপ করতে হবে।

এম এস এক্সেল ভালো করে শিখতে হবে। বর্তমানে বেশির ভাগ বিশ্ববিদ্যালয়ে অনার্সে পড়ার সময় পাওয়ারপয়েন্ট প্রেজেন্টশন দিতে হয়। কিন্তু আপনার ছাত্রজীবনে যদি এমনটা না হয়ে থাকে তাহলে আপনি চাকরির প্রস্তুতির যেকোনো বিষয়ের নির্দিষ্ট টপিকের ওপর পাওয়ারপয়েন্ট প্রেজেন্টশনের স্লাইড তৈরি করতে পারেন। আর এগুলো শেখার জন্য বিভিন্ন ওয়েবসাইট রয়েছে। গুগলে সার্চ দিলেই পাবেন। ইউটিউবেও ভালো মানের টিউটরিয়াল আছে, শিখে নিতে পারেন।